বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮

রামচন্দ্র এবং বাল্মীকি রামায়ণ


রামচন্দ্র এবং বাল্মীকি রামায়ণ



বাল্মীকি রামায়ণ, সংস্কৃত ভাষায় রচনা।

বাল্মীকি রামায়ণে, চব্বিশ হাজার শ্লোক আছে।
আছে, পাঁচশত সর্গ।
ছয়টি কাণ্ড।
এবং অতিরিক্ত উত্তর কাণ্ড।

উত্তরকাণ্ডে, সীতা পরিত্যাগ।
চিরকালের জন্য ত্যাগ ?
সীতার ভূগর্ভে প্রবেশ।

মাটি খুঁড়ুন, আবার সীতাকে পেয়ে যাবেন !

ফের অযোধ্যায়, রামমন্দির হবে !
তখন সীতাকে নিয়ে এসে, রামের সাথে মিলাবেন।
রামের পাশে বসাবেন।

মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮

ফের রামরাজত্ব এলে


বাল্মীকি রামায়ণ

ফের রামরাজত্ব এলে



ফের রামরাজত্ব এলে, কি হতে পারে !

প্রজারা হৃষ্টপুষ্ট, আধিব্যাধি-বিবর্জিত হয়ে কাল কাটাবে !

রামরাজত্ব দুর্ভিক্ষভয়শূন্য এবং ধার্মিক মনোভাবাপন্ন হবে !

পিতা কখনও পুত্রের মৃত্যু দেখবে না !

নারীরা সধবা ও পতিব্রতা থাকবে !
তার মানে, স্ত্রীরা, স্বামির আগে মারা যাবে !

রাজ্যে, অগ্নিভয়, বায়ুভয় তস্করভয় থাকবে না !

কেউ জলে ডুবে মারা যাবে না !
যদিও রামচন্দ্র নিজে সরযূনদীর জলে, ডুবে মারা গিয়েছিলেন !

সকলে সত্যযুগের মতো, নিরন্তর সুখে থাকবে !

বিদ্বান ব্রাহ্মণদের অনেক অনেক গাভি ও দান দেওয়া হবে !

বর্ণচতুষ্টয় থাকবে !

রাম দশ সহস্র দশ শত বছর রাজ্যশাসন করেছিলেন !

অনেকে বলেন, রাম সীতাকে কষ্ট দিয়েছিলেন !

রামের কন্যাসন্তান ছিল না !

রামরাজত্বে, কন্যাসন্তানের জন্ম কমে যাবে !



* সূত্র : বাল্মীকি রামায়ণ, হেমচন্দ্র ভট্টাচার্য কর্তৃক গদ্যানুবাদিত।পৃষ্ঠা ১৩।

সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮

জটায়ু


জটায়ু।



জটায়ু।
ইনি শ্যেনী গর্ভজাত অরুণের পুত্র।
সম্পাতির অনুজ।
দশরথের সখা।

জটায়ু, সীতাদেবীকে রক্ষার জন্য, রাবণের সঙ্গে যুদ্ধ করে, ভীষণ ভাবে আহত হন, ও পরে নিহত হন !

রামচন্দ্র, পিতৃবন্ধু জটায়ুর কাছে, সীতাহরণ সংক্রান্ত বৃতান্ত বিশদ ভাবে শোনেন !

রামচন্দ্র, পিতৃবন্ধুর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া, পিতৃবৎ শ্রদ্ধার সাথেই, সুসম্পন্ন করেন।



* সূত্র : 'বঙ্গীয় শব্দকোশ', পৃষ্ঠা ৯১৮/১।

সম্পাতি


সম্পাতি



সম্পাতি !
বেগে উৎপাতী !
পক্ষিবিশেষ !

সম্পাতির পিতা অরুণ। মা শ্যেনী।
জটায়ু কনিষ্ঠ ভ্রাতা !

সম্পাতি, প্রথম যৌবনে, সূর্য জয় করার ইচ্ছায়, ভাই জটায়ুকে সঙ্গে নিয়ে, সূর্য অভিমুখে উড়তে আরম্ভ করেন !
জটায়ু, সূর্যের প্রচণ্ড তাপে, অবসন্ন হয়ে পড়লে, সম্পাতি, নিজের ডানা দিয়ে, আদরের ভাইকে ঢেকে রাখেন !
তাতে সম্পাতি, সূর্যতাপে দগ্ধপক্ষ হয়ে, বিন্ধ্যপর্বতে পতিত হন !
পরে অবিশ্যি, সম্পাতির, নতুন করে এক জোড়া পাখা গজায় !
সম্পাতি, নতুন করে উড়তে শেখেন !



* সূত্র : 'বঙ্গীয় শব্দকোষ', পৃষ্ঠা ২১৪৮-৯।

রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮

রুদ্র

রুদ্র কুপিত ব্রহ্মার মন্যু হতে, নীললোহিত কুমাররূপে উৎপন্ন হয়ে, রোদন করেছিলেন, সেই জন্য তিনি রুদ্র ! রুদ্র রোদয়িতা। রুদ্র ভীষণ। রুদ্র ভয়ঙ্কর ! রুদ্রের সন্তানগণ, 'রুদ্রগণ' ! মহাভারতে, ব্রহ্মার মানসপুত্র, স্থাণু থেকে, রুদ্রগণের উৎপত্তি ! বায়ুপুরাণে, রুদ্রগণ, শিবের অবতার ! শঙ্কর ইঁহাদের অধিদেবতা ! কাল সর্বক্ষয়কর ! বেদ পরবর্তী কালে, রুদ্র ও কাল অভিন্ন ! পুরাণে, রুদ্রই, মঙ্গলময় শিব ! সূত্র : 'বঙ্গীয় শব্দকোশ', পৃষ্ঠা ১৯২৪/১।

শুক্রবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮

তিলোত্তমা


তিলোত্তমা



তিলোত্তমা !
স্বর্গের বেশ্যা !

সুন্দ এবং উপসুন্দ নামক দেবদ্বেষী অসুরদ্বয়ের বিনাশের নিমিত্ত, বিরিঞ্চির নির্দেশে, বিশ্বের যাবতীয় উত্তম এবং সুন্দর পদার্থের তিল তিল নিয়ে, তিলোত্তমাকে নির্মাণ করেন, বিশ্বকর্মা !
তিলোত্তমার, প্রাণ-সঞ্চারও করেন, বিশ্বকর্মা !

তিলোত্তমাকে, বিশ্বকর্মা, স্বর্গের বেশ্যা বানান !

যে সমস্ত মানুষেরা, স্বর্গে যাওয়ার এবং স্বর্গে থাকবার সুযোগ পান, তাঁরাও, তিলোত্তমাকে, উপভোগ করার সুযোগ পান !



বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮

দময়ন্তী



দময়ন্তী



বিদর্ভদেশে, ভীমক নামে, এক রাজা ছিলেন।
তিনি সর্বগুণবান এবং পরাক্রমশালী ব্যক্তি ছিলেন।

দমন ঋষিকে, প্রসন্ন করে, ভীমক, চারটি সন্তান লাভ করেছিলেন।

দমন ঋষি।
একজন ব্রহ্মর্ষিবিশেষ ছিলেন।

ভীমক রাজার পুত্রেরা, দম, দান্ত, দমন।
এবং এক কন্যা, দময়ন্তী।

দমন ঋষির নাম অনুসারে, তিন পুত্রের এবং কন্যারত্নটির, ঐরূপ নাম রাখা হয়।

দময়ন্তীর, লক্ষ্মীর মতো রূপ ছিল !
দময়ন্তীর, লক্ষ্মীর মতন গুণ ছিল !