বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯

বাইবেলের আংশবিশেষে খ্রিস্টানদের বিবাহবিচ্ছেদ


বাইবেলের আংশবিশেষে খ্রিস্টানদের বিবাহবিচ্ছেদ
#


#
কোন খ্রিস্টান পুরুষ, যদি তার বিবাহিত স্ত্রীর সাথে বিবাহবিচ্ছেদ করতে চায়, তবে সেই পুরুষকে লিখিতভাবে তার স্ত্রীকে জানাতে হবে,  যে,  সে বিবাহবিচ্ছেদ করতে চায় !
শুধু মৌখিকভাবে.  'বিবাহবিচ্ছেদ  বিবাহবিচ্ছেদ  বিবাহবিচ্ছেদ' বললে চলবে না !
স্ত্রী অবিশ্বাসিনী হওয়া ছাড়া, কেউ যদি বিবাহবিচ্ছেদ করে, তাহলে মেয়েটিকে সে ব্যভিচারিণী করে তুলবে ! যে,  সেই মেয়েটিকে বিয়ে করবে, সেও দুষ্ট হবে ব্যভিচারের দোষে !
আর কোন বিবাহিত নারী যদি তার স্বামির সাথে বিবাহবিচ্ছেদ করতে চায়, তাহলে কি করতে হবে,  তা কিন্তু লেখা নেই সেই অংশে !
আর দেখুন, বলা হচ্ছে, যে,  সেই মেয়েটিকে বিয়ে করবে, সেও দুষ্ট হবে ব্যভিচারের দোষে !
'দুষ্ট'।
দোষযুক্ত। দূষিত। অসৎ। মন্দ ( অর্থাৎ, দুষ্টচরিত্র )।
'ব্যভিচার'। অন্যায় বা গর্হিত আচরণ। স্ত্রী-পুরুষের অবৈধ যৌনসম্পর্ক। কপট আচার। স্খলন।
তাহলে কি খ্রিস্টান ধর্মশাস্ত্রে, বিবাহবিচ্ছিন্না নারীটির পুনর্বিবাহ যাতে না হয়, তার জন্য,  পরোক্ষভাবে বাধার সৃষ্টি হচ্ছে ?
#
#
* সূত্র ; নবসন্ধি, পৃষ্ঠা ০৮, নির্দেশক সংখ্যা ৩১-৩২। ( মথিলিখিত সুসমাচার )।


#
প্রণব কুমার কুণ্ডু

সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯

কোন ব্যক্তি একক নন


কোন ব্যক্তি একক নন


প্রণব কুমার কুণ্ডু


কোন ব্যক্তি একক নন।
তাঁর সঙ্গে পরিবারের গ্রামের সমাজের দেশেরমানুষদের যোগাযোগ থাকে।
বিশ্বের সকল মানুষদের সঙ্গে থাকে যোগাযোগের এবং ভ্রাতৃত্বের বন্ধন।
পর্যায়ক্রমে তা আবার প্রাণিকুলে বিস্তারিত হয়।
আমরা কেউ একক নই। আমাদের অনুভূতিও একক নয়।
আমাদের অনুভূতি দিগন্ত থেকে দিগন্তে বিস্তৃত হয় !



প্রণব কুমার কুণ্ডু                                                                 

যম ( দুই )


যম ( দুই )

























প্রণব কুমার কুণ্ডু




যমের পিতা সূর্য।
মাতা সংজ্ঞা।

তবে যম বিমাতা ছায়া কর্তৃক
লালিত-পালিত হন।

যম পিতৃগণের অধিপতি
পিতৃপতি।

প্রেতগণের
রাজা।

শ্রাদ্ধের অধিস্থাতা দেব
শ্রাদ্ধদেব।

যমুনার
ভাই।

দক্ষিণদিকের
দিকপাল।

প্রেতের ধর্ম-অধর্মের বিচারক বলে
ধর্মরাজ বা শুধুই ধর্ম।

যমের মন্ত্রী
চিত্রগুপ্ত।

এসব সত্ত্বেও মরুত্তরাজের যজ্ঞে আহূত যম
রাবণের ভয়ে কাকরূপ ধারণ করেছিলেন !

যমের স্ত্রী
যমী।

অস্ত্র  দণ্ড।
বাহন মহিষ।

যম বিদুররূপে
মর্ত্যে জন্মগ্রহণ করেন।

যুধিস্থির
যমের পুত্র।

নকুল-সহদেব
যমের ভাই অশ্বিনীকুমারদ্বয়ের পুত্র।

সেই হিসাবে যুধিষ্ঠির
নকুল-সহদেবের জ্যাঠা !

যমের দেওয়া ভয়ানক শাস্তি
নরকবাস।


* সূত্র : বঙ্গীয় শব্দকোষ। পৃষ্ঠা ১৮৫২।

রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯

করজোড়ে





করজোড়ে

শ্রাবণী কুণ্ডুর ফেসবুক থেকে শেয়ার করেছেন প্রণব কুমার কুণ্ডু






চিত্রে থাকতে পারে: এক বা আরও বেশি ব্যক্তি



প্রণব কুমার কুণ্ডু










প্রণব কুমার কুণ্ডু


বইঃ "ভোলগা থেকে গঙ্গা"


বইঃ "ভোলগা থেকে গঙ্গা"
শেয়ার করেছেন প্রণব কুমার কুণ্ডু



























প্রণব কুমার কুণ্ডু







বইঃ "ভোলগা থেকে গঙ্গা"
লেখকঃ "রাহুল সাংকৃত্যায়ন"
পৃষ্ঠাঃ ৩১৮; মূল্যঃ ৪০০ টাকা।
ভারতীয় লেখক ও দার্শনিক রাহুল সাংকৃত্যায়ন-এর ভোলগা থেকে গঙ্গা বইটি তাঁর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের একটি। লেখক প্রাচীন আমল থেকে বিংশ শতাব্দী পর্যন্ত আর্যদের সমাজ বিকাশ এবং পথপরিক্রমার ইতিহাস লিখেছেন গল্পের মাধ্যমে। ৬০০০ খৃষ্টপূর্বাব্দে ভলগা নদীর তীরে যে মানবগোষ্ঠী পরিবার স্থাপন করেছিলো, তাদেরই আবাস ও জীবন নিয়ে রচিত হয়েছে প্রথম গল্পটির দৃশ্যপট। ক্রমে সেই মানুষ অগ্রসর হয়ে মধ্য এশিয়া অতিক্রম করে তাজিকিস্তান পেরিয়ে একসময় সমগ্র প্রাচীন ভারতে এসে বসতি স্থাপন করেছিলো এই আর্যরা।
ভোলগা থেকে গঙ্গার কাহিনীগুলো নিছক কল্পনাপ্রসূত নয়। সমাজ বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়ের দিকে লক্ষ্য রেখে গল্পগুলো ধারাবাহিকভাবে রচিত হয়েছে। ভারতীয় সমাজ বিকাশের বিভিন্ন পর্যায় গল্পচ্ছলে অনুধাবন করার পক্ষে ভোলগা থেকে গঙ্গার কানিহীগুলো অত্যান্ত সুবিধাজনক, তাই এ গ্রন্থের গুরুত্ব অনস্বীকার্য।
ভোলগা থেকে গঙ্গা বইটা ছোট ছোট গল্পের ভঙ্গিতে রচিত। প্রায় ছয় হাজার খ্রিস্টপূর্বাব্দককালে ভারতবর্ষের সুদূর উত্তর পশ্চিমে দক্ষিন বাহিনী ভোলগার তীরে অরণ্য তুষারে আচ্ছন্ন পরিবেশে যে মানবগোষ্ঠীর পদপাত শোনা গিয়েছিল তাদেরই আবাস জীবন প্রেম ও ভালবাসা নিয়ে এ মহা গ্রন্থের প্রথম দৃশ্যপট উত্তোলিত হয়েছে। তারপর সেই মানুষ ক্রমে মধ্য ভোলগা তীর ছেড়ে অগ্রসর হয়ে এলো। ক্রমে এই লোকেরা আরো অগ্রসর হয়ে মধ্য এশিয়া ছাড়িয়ে গেল, পামীর, উত্তর কুরুতে তাদের বসতি স্থাপিত হলো- জন্ম হলো হিন্দি-ইরানিয় ভাষার। আস্তে আস্তে তারা পৌঁছে গেল স্বাত উপত্যকায়। সমগ্র গান্ধার জুড়ে তাদের আবাস গড়ে উঠলো। সময়ে জন্ম নিয়েছে হিন্দু আর্যভাষা। সেখানেই ঋগ্বেদ রচিত হঢেছিল বলে অনুমান করা হয়।
ছোট গল্প সমূহের তালিকা
১।নিশাঃ স্থান- ভোলগা নদীর তীর কাল-৬০০০ খৃষ্টপূর্ব
২।দিবাঃ স্থান- মধ্য ভোলগা তট কাল-৩৫০০ খৃষ্টপূর্ব
৩।অমৃতাশ্বঃ স্থান- মধ্য এশিয়া, পামীর (উত্তর কুরু) কাল-৩০০০খৃষ্টপূর্ব
৪।পুরুহুতঃ স্থান- বক্ষু উপত্যকা (তাজিকিস্তান) কাল- ২৫০০খৃষ্টপূর্ব
৫। পুরুধানঃ স্থান- উপরিস্বাত কাল- ২০০০খৃষ্টপূর্ব
৬। অঙ্গিরাঃ স্থান- গান্ধার (তক্ষশীলা) কাল- ১৮০০খৃষ্টপূর্ব
৭। সুদাসঃ স্থান- কুরু-পাঞ্চাল (উত্তরপ্রদেশের পশ্চিম) কাল- ১৫০০খৃষ্টপূর্ব
৮। প্রবাহণঃ স্থান- পাঞ্চাল (উত্তরপ্রদেশ) কাল- ৭০০খৃষ্টপূর্ব
৯। বন্ধুল মল্লঃ কাল- ৪৯০ খৃষ্টপূর্ব।
১০। নাগদত্তঃ কাল- ৩৩৫ খৃষ্টপূর্ব।
১১। প্রভাঃ কাল- ৫০ খৃষ্টপূর্ব।
১২। সুপর্ণ যৌধেয়ঃ কাল-৪২০ খৃষ্টাব্দ।
১৩। দুর্মুখঃ কাল-৩৬০ খৃষ্টাব্দ।
১৪। চক্রপাণিঃ কাল- ১২০০ খৃষ্টাব্দ।
১৫। বাবা নুরদীনঃ কাল-১৩০০খৃষ্টাব্দ।
১৬। সুরৈয়াঃ কাল-১৬০০খৃষ্টাব্দ।
১৭। রেখা ভগৎঃ কাল-১৮০০খৃষ্টাব্দ।
১৮। মঙ্গল সিংহঃ কাল-১৮৫৭খৃষ্টাব্দ।
১৯। সফদরঃ কাল-১৯২২খৃষ্টাব্দ।
২০। সুমেরঃ কাল-১৯৪২খৃষ্টাব্দ।

এসব কাহিনীতে আছে ছয় হাজার খ্রিষ্টপূর্বাব্দের ইতিহাসের স্বাক্ষর। এভাবে ইতিহাসের ধারা অনুসরণ করে কাহিনীর পর কাহিনীতে বিংশ শতকে এসে শেষ হয়েছে " ভোলগা থেকে গঙ্গা"র কাঠামো।
ভোলগা থেকে গঙ্গা অসংখ্য ইতিহাস ও পুরাণ গ্রন্থের সহায়তায় লেখা। ভাল লাগার মূল জায়গাটা হল এঁর একেবারে নৈর্ব্যাক্তিক ভাবে বলা খুবই আবেগবহুল কাহিনী। বইয়ের একটা কথা মনে দাগ কাটেঃ "এই পৃথিবী যদি তার বুকে ঘটে যাওয়া সব কথা বলতে পারত তবে ইতিহাস অন্য রকম হত।- হুবহু এমন ছিলো না , স্মৃতি থেকে লিখছি। কিন্তু কথাটার ভাবটা এইরকমই ছিল"।
আপাত দৃষ্টিতে সরাসরি অধ্যায়গুলি গল্পগুলির যোগাযোগ না থাকলেও আবার কোথায় যেন তারা ধারাবাহিক একটাই গল্প। প্রাচীন রাশিয়ান ঊনমানুষদের ধীরে ধীরে ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়ার গল্প, আর্য জাতির উত্থানের গল্প, বৈদিক যুগের গল্প। সবার উপরে- মানুষের গল্প।
ইতিহাস নৃতত্ত্ব ও বিদেশী পর্যটকদের ভ্রমনবৃত্তান্ত থেকে তথ্য উপাত্ত নিয়ে লেখক তার নিজস্ব ভঙ্গিতে গড়ে তুলেছেন ভোলগা থেকে গঙ্গা। এর শেষ রচনাটি শেষ হয়েছে এভাবে- " এখনও উঁচু নিচু জগতের মধ্যে যে বিভেদটুকু বজায় আছে আশা করি অদূর ভবিষ্যতে সে বিভেদও থাকবে না। সকলে মিলে সমান হয়ে যাবে সকলের পরিশ্রমলব্ধ ফসলের অন্ন সকলে গ্রহণ করবে মিলেমিশে হাঁসিমুখে।
যারা প্রাচীন ইতিহাস, সমাজ ও নৃতত্ত্ব ভালোবাসেন তাদের জন্যে সবসময় সাথে রাখার মত একটা বই এই ভোলগা থেকে গঙ্গা।
হ্যাপি রিডিং 

পৃথিবী হোক বইময় 

ক্যানসার ( তিন )

ক্যানসার ( তিন )
Sahera Shanta এতে 
মাত্র দুটি কাজ করলেই ক্যান্সার উধাও!
ওশ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, মস্কো, রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, কিন্তু মানুষ এই রোগে মারা যায় শুধুমাত্র উদাসীনতার কারণে।
তার মতে, মাত্র দুটি উপায় vঅনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার। উপায়গুলো হচ্ছে:-
১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। কেননা, শরীরে চিনি না পেলে ক্যান্সার সেলগুলো এমনিতেই বা প্রাকৃতিকভাবেই বিনাশ হয়ে যাবে।
২. এরপর এক গ্লাস গরম জলে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবুর রস মিশ্রিত গরম জল পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার।
মেরিল্যান্ড কলেজ অব মেডিসিন- এর একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, কেমোথেরাপির চেয়ে এটি হাজার গুণ ভাল।
৩. প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিন চা চামচ অর্গানিক নারিকেল তেল খান, ক্যান্সার সেরে যাবে।
 অবহেলা বা উদাসীনতার কোনো অজুহাত নেই।
উল্লেখ্য, ক্যান্সার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে ডা. গুপ্তপ্রসাদ গত পাঁচ বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এই তথ্যটি প্রচার করছেন।
সেই সঙ্গে তিনি সবাইকে অনুরোধ করেছেন এই তথ্যটি শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।
তিনি বলেছেন, “আমি আমার কাজটি করেছি। এখন আপনি শেয়ার করে আপনার কাজটি করুন এবং আশেপাশের মানুষকে ক্যান্সার থেকে রক্ষা করুন।” সূত্র: রেডিট ।



প্রণব কুমার কুণ্ডু





















প্রণব কুমার কুণ্ডু

ক্যানসার ( দুই )


ক্যানসার ( দুই )
























প্রণব কুমার কুণ্ডু


আদি শঙ্করাচার্যের নাকি ক্যানসার হয়েছিল !
ক্যানসার হয়েছিল রমণ মহর্ষির !
বাবা রামকৃষ্ণদেবেরও ক্যানসার হয়েছিল !
ক্যানসার।
এখনও আছে কি তার ফলপ্রসূ চিকিৎসা ?
আর ফলদায়ক ডায়াগোনেশিস ?