বৃহস্পতিবার, ২ আগস্ট, ২০১৮






#বালুচ_বুকে_কালাটেশ্বরী_কালী#মাথা_ঝোঁকায়_পাকিস্তানও
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
মৌলবাদের ঘুণধরা পাকিস্তানে জাগ্রত কালী মায়ের মন্দির! পাকিস্তানে হিন্দু মন্দির থাকা অনেকটা চাঁদে জল থাকার মতোই অবাস্তব লাগে শুনতে। সেখানে পাকিস্তানে বুকে কালী মন্দির থাকাটা সত্যি আশ্চর্যজনক ঘটনা। স্বাধীনতার পর পাকিস্তানের বেশির ভাগ হিন্দুর ভারতে চলে আসার কারণে,ধর্মীয় আগ্রাসনে পাকিস্তানে শত শত মন্দির ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে বা জবর দখল করে সেগুলিতে বসতবাড়ি, হোটেল বা পাঠাগার হয়েছে।কিন্তু কয়েকটি বিখ্যাত মন্দির অটুট রয়ে গেছে। কারণ, এশিয়াতে ইসলাম প্রবেশ করার আগেই তৈরি হওয়া মন্দিরগুলি স্থানীয় ইসলাম, খ্রীস্টান, শিখ ধর্মের জনগণের জীবনযাপনেও জড়িয়ে গেছে।ফলে ভাঙ্গতে গেলে হাত কেঁপেছে হানাদারদের,পারেনি।কোনও এক অজ্ঞাত ভয়ে পিছিয়ে এসেছে।
পাকিস্তানের খনিজ পদার্থ সম্বৃদ্ধ প্রদেশ বালুচিস্তান।হিন্দুদের পবিত্র তীর্থ, একান্ন পিঠের অন্যতম পীঠ মরুতীর্থ হিংলাজ বা বিবি নানীর মন্দির এই প্রদেশেই । কিন্তু পাকিস্তানের বালুচিস্তানে আরেক জাগ্রত ও বিখ্যাত দেবী আছেন, ক’জন ভারতীয় তা জানেন! হ্যাঁ, স্বয়ং মা কালী ১৯৪৪ বছর ধরে অবস্থান করছেন ওই অঞ্চলে। তখন অবশ্য বালুচিস্তান বা পাকিস্তানের জন্মই হয়নি, দক্ষিণ এশিয়াতে ইসলামেরও আগমন হয়নি। আজ কট্টর মৌলবাদী পাকিস্তানের বুকে এই দেবীর পূজা হয় মহাসমারোহে। এই রণচন্ডী, উগ্রমূর্তি দেবীকে সমীহ করে পুরো পাকিস্তান। মন্দিরের সমস্ত অনুষ্ঠানে যথাসম্ভব সাহায্য করেন বালুচ মুসলিমরা। সদা ক্রোধান্বিতা, রণরঙ্গিনী, করাল-বদনা দেবীর নাম কালাট কালী মাতা। কেউ ডাকেন মা কালাটেশ্বরী। মা এখানে পূজিত হচ্ছেন কয়েক হাজার বছর ধরে। সেই ৭৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে, মন্দিরের দ্বারে তা উর্দু ভাষায় লেখাও আছে। প্রতিবছর হাজারে হাজারে হিন্দুভক্ত সারা পাকিস্তান থেকে কালাট কালীমাতার দর্শনে আসেন। ভোগ দেন, ষোড়শ উপচারে পূজা করেন। প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যায় চলে ভীষণ জাগ্রতা এই কালী মার নিত্যপূজা।ভক্তদের আতিশয্য থেকে বিগ্রহকে আলাদা রাখতে কাচ দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে।প্রায় কুড়িফুট উঁচু বিগ্রহটির দশটি হাতে গদা ,তরবারি,ঢাল,শঙ্খ,খড়্গ,ত্রিশুল,চক্র,ধনুক,নরমুন্ড,খঞ্জর।রণ সাজে সজ্জিতা কালীমাতা এখানে কালচে-নীলবর্ণা, গলায় সত্যিকারের করোটির মালা। বিরাট জিভ বার করে মহাদেবের বুকের উপর দাঁড়িয়ে আছেন। এই মন্দিরে কালীমাতার বিগ্রহের সামনে রাখা আছে গুরু নানকের ছবি। বালুচিস্তানের শিখদের কাছেও অত্যন্ত পবিত্র এই মন্দির। স্থানীয় লোকগাথা থেকে জানা যায় অনেক শিখ গুরু এই মন্দিরে বিভিন্ন সময় এসেছেন।
মাথায় সিল্কের ফেট্টি বেঁধে মা কালাটেশ্বরীর দরবারে এসে মাথা ঝোঁকাননি এমন পাকিস্তানি রাজনৈতিক নেতা ও সেলিব্রেটি মেলা ভার।সবাই মানেন,তাঁর দরবারে মাথা ঠুকলে সব সমস্যার সমাধান।
মূলত পাকিস্তানের হিন্দকো ভাটিয়া সম্প্রদায় মন্দিরটির দেখভাল করে আসছেন যুগের পর যুগ ধরে। দুর্গসদৃশ এই মন্দিরের গঠন আর পাঁচটা হিন্দু মন্দিরের মতো নয়। হিন্দু মন্দিরের চিরাচরিত গোপুরম এই মন্দিরে অনুপস্থিত। মন্দিরটিকে নিশ্ছিদ্র, ছোটোখাটো দুর্গ মনে হয়। বালুচিস্তানের কালাট অঞ্চলটিতে একসময় রাজত্ব করতেন কিম্বদন্তী হিন্দু বালুচ বীর ‘সেবা’। তাই হিন্দুবীর ‘সেবা’র প্রতিষ্ঠা করা দুর্গসদৃশ কালীমন্দিরটিকে বলা হয় কালাট-ই-সেবা।সেখান থেকে শহরটির নামও হয়ে গেছে কালাট-ই-সেবা। হিন্দুরা বলেন মা কালীর নাম থেকেই শহরের নাম হয়েছে কালাট। কেউ বলেন হিন্দুবীর ‘সেবা’র ‘কিল্লা’ বা দুর্গ থেকে শহর বা জেলারও নাম হয়েছে কালাট।
শত শত বছর ধরেই বছর ধরেই এই অঞ্চলের হিন্দুরা স্থানীয় বালুচ ও পাশতুনদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছেন। ১৯৪৭ শে ভারতবর্ষ স্বাধীন হলে সেই সম্পর্কে আঘাত পড়ে। দলে দলে হিন্দু বালুচিস্তান ছাড়েন। অথচ বালুচিস্তানের অর্থনীতিতে হিন্দুদের অবদান কোনওদিন অস্বীকার করা যাবেনা।আর অঞ্চলটি বরাবরই ছিলো হিন্দুদের দখলে। ১৯৪১ সালে অঞ্চলটিতে প্রায় ৫৬,০০০ হিন্দু বাস করতেন। যদিও অঞ্চলটি তখন ছিলো ‘খান’ যুবরাজদের অধীনে। ১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার সময় ‘খান’রা কালাট অঞ্চলটিকে ভারতভুক্তির দাবি জানিয়ে জওহরলাল নেহেরুকে চিঠি লেখেন । কিন্তু অজ্ঞাত কারণে নেহেরু নাকচ করে দেন প্রস্তাবটি। কালাটের হয়ে এগিয়ে আসেন তৎকালীন কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট মৌলানা আবুল কালাম আজাদ। কিন্তু তিনিও পারেননি। অবশেষে ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয় প্রিন্সলি স্টেট কালাট।
পাকিস্তানে হিন্দুর সংখ্যা কমলেও কমেনি কালাটেশ্বরী কালী মাতার মহিমা। বরং তা ক্রমশ বাড়তে থাকে। কালাটেশ্বরী কালী মন্দিরে কালীপূজা, দশহরা, হোলি, গুরুপূর্ণিমা জাঁকজমক সহকারে হয়ে থাকে।মাঝে মধ্যে উগ্রবাদীরা মন্দিরটা ধ্বংস করার জন্য প্ররোচনামূলক মিটিং মিছিল করে। ঘুরিয়ে বলে এই অঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে ভারত প্রশয় দিচ্ছে তীর্থযাত্রীর ছদ্মবেশে। কেউ বলে এই অঞ্চলেই আছে পাকিস্তানের পরমাণু বোমা পরীক্ষা কেন্দ্র চাঘাই। তাই পাকিস্তানের নিরপত্তার স্বার্থে এখানে কোনও হিন্দুমন্দির থাকা উচিত না। এই মন্দিরের পুরোহিতদের মহারাজা বলা হয়।প্রবীণতম ও শ্রদ্ধেয় মহারাজা লক্ষীচাঁদ গড়জী ও দুই সেবককে ২০১০ সালে অপহরণ করে মৌলবাদীরা। কিন্তু পরে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় জীবিত অবস্থায়।যা রীতিমতো বিস্ময়কর।তাই এই মন্দিরটি ভাঙার হুজুগ ওঠে, রাজনীতি মাঝে মাঝে পালে হাওয়াও দেয়। কিন্তু কোনও এক অজ্ঞাত কারণে তা করা সম্ভব হয়না। শোনা যায়, মন্দির ভাঙতে চেষ্টা করা অনেক মানুষের অপঘাতে মৃত্যু হয়েছে কয়েকদিনের মধ্যেই। আর বর্তমানের পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলগুলি জানে এই মন্দিরটি ভাঙলে বালুচিস্তানের মুসলিমরাও ছেড়ে কথা বলবেননা। এমনিতেই স্বাধীনতার আন্দোলন বালুচিস্তানে জোর হাওয়া পেয়েছে নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর। বালুচরা মনে করছেন পাকিস্তানের কবলমুক্ত হয়ে বালুচিস্তানের স্বাধীন হওয়া কেবলমাত্র সময়ের অপেক্ষা।
যাই হোকনা কেন, মা কালাটেশ্বরীকে স্থানচ্যুত করা ১৯৪৪ বছর ধরে সম্ভব হয়নি। ভবিষ্যতেও হবেনা,কত শক, হুন, পাঠান, মোগল, ইংরেজ এলো গেলো। মা কালাটেশ্বরী একই জায়গায় স্বমহিমায় বিরাজ করছেন এবং করবেনও।
লেখক: রূপাঞ্জন গোস্বামী
তথ্য সৌজন্যে: অনলাইন নিউজ পোর্টাল
লাইক
মন্তব্য করুন
মন্তব্যগুলি

চিন্তা-ভাবনা


চিন্তা-ভাবনা



'ভগবান হওয়ার জন্য
ভগবানকে
চিন্তা-ভাবনা
করতে হয় না' !

তাই আবার হয় ?
চিন্তা-ভাবনা না করলে
ভগবানেরও
সুখের ভবিষ্যৎ নাই !

হিন্দুধর্ম ( দুই )


হিন্দুধর্ম ( দুই )



সনাতন ধর্ম মানেই
আমাদের হিন্দুদের
জীবনযাপন প্রণালী !
চারটে বৌ নয়
একটি মাত্র বৌ
এবং তিনি সত্যি সত্যি সতী !

সনাতন ধর্মই
আমাদের
জাতীয়তাবাদ !
হিন্দু রাষ্ট্র
সনাতন ধর্মের সাথে সাথে
সৃচ্টি হয়ে যায় !

হিন্দুধর্মের
অনেক
শাখা-প্রশাখা রয়েছে !
জ্বলন্ত প্রদীপ
শঙ্খ ধ্বনি কাঁসর-ঘন্টা
ঢাক-ঢোলের আওয়াজ রয়েছে !

ধর্মের সাথে সাথে
সৃষ্টিধর্মের
শুরু হয়েছিল !
সৃষ্টি
অগ্রসর হয়েছিল !
বৃদ্ধি পেয়েছিল !

সনাতন
হিন্দুধর্মের
পতন হলে
হিন্দুরাষ্ট্রেরও
পতন
অবশ্যম্ভাবী

হিন্দুধর্ম
না থাকলে
হিন্দুরাষ্ট্রধর্মও
শেষ হয়ে যাবে !
হিন্দুসভ্যতাও
ভেঙ্গে পড়বে !

তখন
হিন্দুধর্মের রাষ্ট্রদূতও
থাকবে না !
বাজবে কেবল
ধ্বংসেরই
বীভৎস বাজনা !

তাহলে তখন
হিন্দুধর্মাবলম্বিরা
স্বর্গ
না
নরক
কোথায় পালাবে ?



* ভাবনায় : ঋষি অরবিন্দের চিন্তাধারা !

সুব্রামানিয়াম স্বামী


সুব্রামানিয়াম স্বামী


প্রণব কুমার কুণ্ডু



সুব্রামানিয়াম স্বামিকে
মোদিজি
অর্থমন্ত্রী করেন নি !
সুব্রামানিয়াম স্বামীকে
এমন কি
মন্ত্রীও করেন নি !

অর্থনীতি এবং ইকোনোমিক্স
বোঝেন না
এমন ব্যক্তিকে
মোদিজি
অর্থমন্ত্রী করেছেন !
সুব্রামানিয়াম স্বামী
ইনকামট্যাক্স
তুলে দেবেন বলেছেন !
সেটা হতো
একটা সামাজিক বিপ্লব !

সম্ভবত
এরপরে
মাননীয় সুব্রামানিয়াম স্বামিই
ভারতের
প্রধানমন্ত্রী হবেন !

মোদিজি নিজে
হিন্দুদের সপক্ষে
কিছুই করছেন না !
যেটুকু হচ্ছে
সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে হচ্ছে !

সুব্রামানিয়াম স্বামী
জিন্দাবাদ !
মোদিজি নিন্দাবাদ !
সুব্রামানিয়াম স্বামী
যুগ যুগ জিও !

সুব্রামানিয়াম স্বামী
ভবিষ্যতে প্রথম
হিন্দু আদর্শবাদে উদ্বুদ্ধ
ভারতবর্ষের
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হবেন !

Mid-day meal কেন ?


Mid-day meal কেন ?



Mid-day meal
কেন ?
ওটা বাংলায় কি
express করা যায় না ?

ওটা পশ্চিনবঙ্গের
প্রাথমিক
শিক্ষা বিভাগের
মনের ব্যামো !

দিতে হয়
চাল-ডাল-নুন-তেল-সব্জি এবং
মাছ-মাংস-ডিম-সয়াবিনের বড়ি ইত্যাদির
বায়না !

বুধবার, ১ আগস্ট, ২০১৮

দুলাল


দুলাল



গাছে উঠতে
ভয় পেতেন
দুলাল !

টাওয়ারে
উঠলেন
কী ভাবে ?

সবাই ভাবে !
পুলিশও ভাবে !
তৃণরাও ভাবে !

ভেবে ভেবে
সারা রাত্তির
জাগে !

Naihati Municipality


Naihati Municipality
Regional Diagnostic Centre


গত ৩০/৭/১৮ তারিখে, আমি খাওয়ার পরের ব্লাড সুগার করতে রক্ত দিই।
পরের দিন ৩১/৭/ ১৮ তারিখে, প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যে রিপোর্ট আনতে গিয়ে দেখি, আমার রিপোর্ট তৈরি নেই !
পরে জানতে পারি, আমার রক্তের নমুনা নাকি পরীক্ষা করাই হয় নি !
আমি বিরক্ত হই !
আপনাদের কর্মচারিরা কি যথাযথ ভাবে কাজ করছে ?

আমার অভিযোগ :
১) যিনি আমার বিল করেছিলেন, টাকা নিয়েছিলেন, তিনি কি তাঁর কর্তব্য  যথাযথ ভাবে পালন করেছিলেন ?
২) এ সময়ে ক্যাশ-কাউন্টারে কার থাকার কথা ?
৩) সময় হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও, রক্ত নেবার লোকের দেখা নেই !
৩) বারবার তাগাদা দেবার পরে, রক্ত নেবার লোকের দেখা মিলল, রক্তও নিলেন।
৪) তারপর, আমার সেই রক্ত কি হল ?
৫) দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি, সেই রক্ত কী পরীক্ষা করলেন ?
৬) কেন পরীক্ষা করলেন না ?
৭) আমার সেই রক্ত কি হল  ?
৮) আপনাদের কর্মচারিরা কি দায়িত্ববান ?

৯) যার ওপর আপনাদের পুরো সেন্টারের দেখভাল করার দায়িত্ব, তিনি কি তা পালন করেন ?

অভিযোগ জানালাম।
অভিযোগের ভিত্তিতে, কী ব্যবস্থাগুচ্ছ নিলেন, জানাবেন !

নমস্কার।

প্রণব কুমার কুণ্ডু
২২৩ মিত্রপাড়া রোড
নৈহাটি
১/৮/২০১৮